![]() |
| বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ : গুরুত্বপূর্ণ টিপস |
বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা আজকাল অনেক শিক্ষার্থীর স্বপ্ন। সঠিক পরিকল্পনার অভাবে ও বাস্তব জ্ঞান না থাকার কারণে এই স্বপ্ন মাঝেমধ্যে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। বিদেশে পড়াশোনা করতে চাইলে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার সঠিক ধারণা থাকতে হবে। আবার দরকার হবে ভাল প্রস্ততিরও। জিআরই, স্যাট, আইইএলটিএস বা টোফেল করা, প্রয়োজনীয় ভাষা শেখা, দরকারি কাগজপত্র জোগাড়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন, স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন ছাড়াও আছে নানা ঝামেলা।
এইচএসসি বা অনার্সের পর প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েন অনেক শিক্ষার্থী। আবার অনেকের পড়াশোনার সুযোগ ও যোগ্যতা থাকার পরও দরকারি তথ্য না জানার কারণে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ হারাচ্ছেন। সে সব বিষয় নিয়েই হবে আজকের আলোচনা।
১। সঠিক দেশ নির্বাচন:
বাংলাদেশ থেকে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী বৃত্তি নিয়ে বিদেশে পড়তে যেতে যান। কেউ স্নাতক পড়ার সময়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করেন। কেউ স্নাতকোত্তর অথবা কেউ পিএইচডি করতে যান। অনেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য যান। নিজেকে স্ট্যান্ডার্ড মানে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিদেশে উচ্চশিক্ষার বিকল্প নেই। তবে শুধু বিদেশ হলেই হলো না, শিক্ষার মানের বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত। এশীয় দেশের মধ্যে মালয়েশিয়া ও চীন এবং ইউরোপের মধ্যে ফিনল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক , জার্মানি ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, জাপান, কানাডা, কোরিয়া, রাশিয়া, আমেরিকা ইত্যাদি দেশগুলোতে মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। অনেকে ইতালি, নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড এবং পাশের দেশ ভারতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান। তবে সব ক্ষেত্রেই আপনি যে প্রতিষ্ঠানে পড়তে যাচ্ছে তা সম্পর্কে ভালভাবে খোজখবর নিয়ে যান। সে সব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ঘেটে দেখুন। অন্যথায় হিতের বিপরীত ও হতে পারে। টাকা পয়সার সাথে সাথে হারাতে পারেন উচ্চশিক্ষার সুযোগও!
২। কোন বিষয়ে পড়তে চান তা নির্ধারণ করুন:
আপনি কি এইচএসসি দিয়ে অনার্স করতে যাবেন নাকি উচ্চশিক্ষার জন্য যাবেন এটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনি আপনি কোন বিষয়ে পড়তে চান, আপনার ভবিষ্যৎ ভাবনা কি? আপনার পূর্বের পড়া বিষয়ের সাথে আপনি যে বিষয় নিতে চাচ্ছেন তার সম্পর্ক কি? এসব কিছুই গুরুত্ব বহন করে। ডিপ্লোমা, গ্র্যাজুয়েশন, মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি যেকোনো লেভেলে আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী পড়তে যেতে পারেন। প্রচলিত বিষয়গুলোর বাইরে একবারে নতুন একটি বিষয়ও নির্বাচন করতে পারেন। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে চাহিদা রয়েছে এমন চাহিদাসম্পন্ন বিষয় নির্বাচন করা যেতে পারে। মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যবসা প্রশাসন, কমার্স, আর্টস, সায়েন্স, মেরিন ইত্যাদি বিষয়গুলোও হতে পারে আপনার উচ্চশিক্ষার বিষয়।
৩। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
$ads={1}
বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে যাবার ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচনে সতর্ক হতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দেশের শিক্ষাবিষয়ক সরকারি ওয়েবসাইট কিংবা কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটগুলো ভিজিট করুন। যে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চান সেটির মান কেমন, দেশটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির র্যাংকিং কত, তা জানার চেষ্টা করুনম তারপর ভর্তির সিদ্ধান্ত নিন।
এসকল বিষয়ের সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে - প্রতিষ্ঠানের ভৌগোলিক অবস্থান, টিউশন ফি, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা, আবাসিক সুবিধা, বৃত্তির ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ের অবস্থান, পড়াশোনার পদ্ধতি, ভর্তির প্রাথমিক যোগ্যতা, খরচাদি ইত্যাদি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।
৪। যে প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য আবেদন করতে চান, সে প্রতিষ্ঠানের শর্তগুলো ভালভাবে দেখে নিন:
প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ভর্তির কিছু শর্ত থাকে। বিষয়ভেদে এবং কোন লেভেলে পড়াশোনা করতে যাবেন, তার ওপর নির্ভর করে শর্তসমূহ। একজন শিক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রতিটি শর্ত সুচারুভাবে পূরণ করতে হবে। শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হলো ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা। যদিও ইউরোপের অনেক দেশে বিষয়টির ক্ষেত্র শিথিল রয়েছে। তবে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ক্ষেত্রে আইইএলটিএস (IELTS), অনেক দেশে GRE,SAT, GMAT, TOFEL পরীক্ষার মাধ্যমে ভাষাজ্ঞান প্রমাণ করতে হয়। এছাড়াও টিউশন ফি, সিকিউরিটি মানি ইত্যাদি আর্থিক বিষয়গুলোও দেখে নিবেন।
পূর্ণাঙ্গ তথ্য জেনে, নিজের যোগ্যতা ও আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করুন।এরপর ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু করুন।
৫। ভর্তির জন্য আবেদন করার সঠিক সময় নির্ধারণ:
সাধারণত বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বছরে দুই বা তিনটি সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে থাকে। অন্তত চেষ্টা করবেন সেশন শুরু হবার কয়েক মাস আগে থেকেই ভর্তির আবেদন করে রাখতে পারেন।
৬। স্কলারশিপ ও খরচ বিষয়ে জানুন:
উন্নত জীবনমান ও মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পেলেই হয়তো লুফে নিতে চাইবেন। কিন্তু তার আগে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে খরচের ব্যাপারটি। এ ক্ষেত্রে যাঁরা স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাবেন, তাঁদের বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। প্রথমে দেখতে হবে স্কলারশিপের মেয়াদ কত। সেটি নবায়ন করা যাবে কি না। স্কলারশিপ যদি নবায়ন করাও যায়, তবে তা কী ধরনের যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে, তা জানতে হবে। স্কলারশিপের অর্থে কী কী খরচ করা যাবে, তা জেনে রাখাও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। সেখানকার জীবনযাত্রা কেমন ব্যয়বহুল এবং আপনার পক্ষে স্কলারশিপের অর্থে সবকিছু নির্বাহ করে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব কি না, তা ভাবতে হবে ভালো করে। তবে অনেকেই আবার নিজের পয়সা খরচ করে পড়তে চান। তাঁদের ক্ষেত্রে পছন্দের কোর্সটি সম্পন্ন করতে সর্বমোট কত খরচ হতে পারে এবং কীভাবে পরিশোধ করতে হবে, সে ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে।
এখন পুরো বিশ্বই পরিণত হয়েছে গ্লোবাল ভিলেজে। তাই এক দেশ অন্য দেশে গিয়ে পড়াশোনা করা এখন নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা। প্রতিবছরই অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার বৃত্তি নিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন। ভালো ফলাফল থাকলে খুব সহজেই মেলে এসব শিক্ষাবৃত্তি।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য তুলনামূলক বেশি বৃত্তির সুযোগ মেলে জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি ও সুইডেনে।
কোরিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে ৫০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী প্রফেসর ফান্ডের মাধ্যমে বৃত্তি পেয়ে দেশটিতে পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়েছে। এছাড়াও বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা বৃত্তির ঘোষণা দেয়। বিভিন্ন দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট কিংবা দূতাবাসের ওয়েবসাইটে খোঁজ নিলে ঘরে বসেই মিলতে পারে এসকল বৃত্তির সকল তথ্য। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটও (www.moedu.gov.bd) নিয়মিত বিভিন্ন দেশের বৃত্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে থাকে।
বাংলাদেশ থেকে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি জমানো শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশের গন্তব্য যুক্তরাজ্য। দেশটিতে ভর্তি, পড়াশোনার তথ্য পাওয়া যাবে এসব সাইটে-
www.educationuk.org
www.ucas.com
www.ukba.homeoffice.gov.uk,
www.ukinbangladesh.fco.gov.uk/bn/visas,
www.ukcisa.org.uk,
www.britishcouncil.org/bangladesh
ইউরোপের অন্য দেশগুলোতেও পড়তে যায় অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। এসব দেশে উচ্চশিক্ষার তথ্য পাওয়া যাবে নিচের সাইটগুলোতে-
www.studyineurope.eu
www.scholarshipportal.eu
http://eacea.ec.europa.eu/index_en.php
http://ec.europa.eu/education/study-in-europe
অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার তথ্য পাওয়া যাবে দেশটির সরকারি এই সাইটে- www.studyinaustralia.gov.au
কানাডায় উচ্চশিক্ষার তথ্য মিলবে এই সাইট দুটিতে-
www.cic.gc.ca/english/study
www.cic.gc.ca/english/information/applications/student.asp
এছাড়াও ইন্টারনেট ঘাটলেই পেয়ে যাবেন নানা তথ্য। সে জন্য রয়েছে নানা দেশের নানা ওয়েবসাইট। তাই প্রস্তুতি নেবার আগে এই বিষয়গুলোও একটু ইন্টারনেট ঘেটে ভালভাবে দেখে নিন।
৭। ভর্তির আবেদন ও ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
ভিসা-সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র স্ক্যান করে ভিসা আবেদনের সঙ্গে যুক্ত করে দিতে হয়। কোনো কাগজ ইংরেজিতে না হলে সেটা অনুমোদিত অনুবাদকের কাছ থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করে যুক্ত করতে হবে। যে সব ডকুমেন্ট বা কাগজপত্র লাগতে পারে তার একটি লিস্ট নিম্নে দেয়া হলো:
ক। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির অনুমতি সংক্রান্ত চিঠি (কনফারমেশন অব এনরোলমেন্ট)
খ। স্বাস্থ্যবিমার প্রমাণপত্র—সাধারণত ভর্তির অনুমতি সংক্রান্ত চিঠির সঙ্গেই থাকে।
গ। জাতীয় পরিচয়পত্র।
ঘ। জন্মসনদ।
ঞ। বর্তমান ও আগের পাসপোর্টের ব্যবহৃত পাতা।
চ। শিক্ষাগত যোগ্যতা (সকল বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট) ও কর্ম-অভিজ্ঞতা সনদ।
ছ। অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়ার কারণ উল্লেখ করে দেওয়া বিবৃতি, যা ‘স্টেটমেন্ট অব পারপাস’ হিসেবে পরিচিত। যেখানে সংশ্লিষ্ট কোর্সের মাধ্যমে আবেদনকারী কীভাবে উপকৃত হবেন, তার ব্যাখ্যা থাকবে।
$ads={2}
জ। পূরণকৃত অর্থনৈতিক সামর্থ্যের (স্পনসর বা গ্যারান্টর) ফরম।
ঝ। স্পন্সরের সঙ্গে আবেদনকারীর সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে জন্মসনদ, পাসপোর্ট কিংবা স্কুলের কাগজপত্র।
ঙ। স্পন্সরের আয়ের উৎসের বিস্তারিত কাগজপত্র।
ট। সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করার ইতিহাস থাকলে সেখানে কাজের রেকর্ড ও ছাড়পত্র।
ঠ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (১২ মাসের বেশি পুরোনো নয়)।
ড। বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী, সন্তানদের সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে জন্মসনদ ও বিবাহ সনদ।
ঢ। স্বামী-স্ত্রী কেউ মারা গিয়ে থাকলে বা বিচ্ছেদ হয়ে থাকলে মৃত্যুসনদ বা বিচ্ছেদ-সংক্রান্ত কাগজপত্র।
ঙ। স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রমাণপত্র।
শিক্ষার্থীদের পাঠানো আবেদনপত্র ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর যোগ্য শিক্ষার্থীদের ঠিকানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভর্তি শাখা’ ডাকযোগে ভর্তির অনুমতিপত্র বা ‘অফার লেটার’ পাঠিয়ে থাকে। একাডেমিক পরীক্ষায় ফল ভালো হলে ভর্তির অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্যান্য যোগ্যতা বা কাগজপত্রের গুরুত্বও কম নয়। ইংরেজি ভাষা দক্ষতা পরীক্ষায় ভালো স্কোর থাকলে ভর্তি সহজ হয়ে যায় অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে।
বিদেশি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পেলেই যে দেশটিতে পড়ার সুযোগ মিলবে তা কিন্তু নয়। স্টুডেন্ট ভিসা না পেলে সব পরিশ্রমই বৃথা যাবে। অফার লেটার পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভিসার জন্য আবেদন করতে হয় সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে। বিভিন্ন দেশ স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেয়। তবে আবেদনপ্রক্রিয়া প্রায় একই।
ভিসা পেতে কিছু দেশে সাক্ষাৎকারের মুখোমুখি হতে হয়। তবে বেশির ভাগ দেশেই এখন সাক্ষাৎকারের প্রয়োজন হয় না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘অফার লেটার’ পাঠালেই কোনো কোনো দেশের স্টুডেন্ট ভিসা প্রায় নিশ্চিত। আবার কোনো দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পাওয়া সহজ হলেও ভিসা পাওয়া কঠিন।
কিছু বিষয়ে নিশ্চিত হয়েই সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা কর্তৃপক্ষ ভিসা দেয়। ‘আবেদনকারী পড়াশোনা শেষে নিজ দেশে ফিরে আসবে কি না’-এমন প্রশ্নের জবাবে সদুত্তর দিতে না পারলে ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তাই সম্ভাব্য সব কিছু বিবেচনায় রেখেই বিদেশে পড়াশোনা করতে যাবার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন