চাকরির ভাইভা : ৪০ তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা ও যেভাবে প্রস্তুতি নিবেন

আরও পড়ুন

Job Interview: 40th BCS Interview Experience and How to Prepare
৪০ তম বিসিএস এ দেয়া ভাইভা অভিজ্ঞতা


বিসিএস পরীক্ষা বা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা হল দেশব্যাপী পরিচালিত একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা যা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কর্তৃক  বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিসিএস (প্রশাসন), বিসিএস (কর), বিসিএস (পররাষ্ট্র) ও বিসিএস (পুলিশ) সহ ২৬ পদে কর্মী নিয়োগের  জন্য পরিচালিত হয়। যা পূর্বে ২৭টি ছিল, ২০১৮ সালে ইকোনমিক ক্যাডারকে প্রশাসন ক্যাডারের সাথে একত্রিত করে। 

বিসিএস  পরীক্ষা পর্যায়ক্রমে তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়- প্রাথমিক পরীক্ষা (এমসিকিউ), লিখিত পরীক্ষা এবং  মৌখিক পরীক্ষা (ইন্টারভিউ)। পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে চূড়ান্ত ফলাফল পর্যন্ত সমগ্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ১.৫ থেকে ৪ বছর সময় লাগে।

$ads={1}
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ব্রিটিশ আমলে ব্রিটিশ ভারতীয় সরকারের ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিসের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত। বিসিএস পরীক্ষাকে বাংলাদেশে চাকরি প্রার্থীদের জন্য অনুষ্ঠিত সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা  হিসাবে বিবেচনা করা হয়। প্রতি বছর গড়ে ৩,৫০,০০০ থেকে ৪,০০,০০০ প্রার্থী আবেদন করে, যা বছরের চাকরি প্রার্থীদের প্রায় ৯০% । পরীক্ষায় সকল ক্যাডার মিলে গড় সাফল্যের হার ০.০২% এবং সাধারণ ক্যাডারের ক্ষেত্রে যা ০.০০৫% শতাংশ, যদিও প্রতি বছর এ হার পরিবর্তিত হয়।  

প্রথম ধাপ: প্রাথমিক পরীক্ষা - এটি বিসিএস পরীক্ষার প্রাথমিক যোগ্যতা বাছাই পর্ব। প্রতি বছর সাধারণত মে/জুন মাসে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ২০০নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার এক মাস আগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় এবং পরীক্ষার প্রায় এক থেকে দেড় মাস পরে ফলাফল প্রকাশিত হয়। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০%।

দ্বিতীয় ধাপ: লিখিত পরীক্ষা - এটি বিসিএস এর প্রধান পরীক্ষা, সাধারণত প্রতি বছরের অক্টোবর/নভেম্বর/ডিসেম্বর মাসে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় এক মাস আগে পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় এবং পরীক্ষার প্রায় ২ থেকে ৩ মাস পর সাধারণত ফলাফল প্রকাশিত হয়। সর্বমোট ৯০০ নম্বরের লিখিত ও প্রফেশনাল বা টেকলিক্যাল ক্যাডারের জন্য বাড়তি ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দিতে হয়। লিখিত পরীক্ষায় শতকরা ৫০ ভাগ নম্বর পেলে সাধারণত একজন প্রার্থীকে ভাইভার জন্য ডাকা হয়।

তৃতীয় ধাপ: মৌখিক পরীক্ষা (ইন্টারভিউ) - লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা ও লিখিত পরীক্ষার নম্বর বিবেচনায় প্রার্থীকে সর্বোচ্চ নম্বরধারীদের ক্রম অনুযায়ী ক্যাডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। মৌখিক পরীক্ষার ১.৫ থেকে ২ মাস পর বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়।

সৌরভ দেবনাথ এর ৪০ তম বিসিএস এ দেয়া ভাইভা অভিজ্ঞতা এবং প্রশ্নের ধরণ ও উত্তর কৌশল: 

বোর্ডঃ নাই বা হলো বলা

বোর্ডে প্রবেশ করে সালাম দিলাম। প্রায় এক মিনিট দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিছুক্ষণ পর চেয়ারম্যান স্যার বসতে বললে আসন গ্রহন করলাম।

চেয়ারম্যানঃ আমার ডকুমেন্টস পড়ে পড়ে বাকি স্যারদের শোনাচ্ছিলেন  আর আমিও সম্মতিসূচক মাথা নাড়াচ্ছিলাম। 

হঠাৎ প্রশ্ন করলেন তোমার তো সুনামগঞ্জ বাড়ি। তাহলে নিশ্চই হাসন রাজার নাম শুনেছো।

আমিঃ জ্বি স্যার শুনেছি।

চেঃ হাসন রাজার মত আরো দুজন মানুষ সুনামগঞ্জে রয়েছেন। বলতে পারবে?

আমিঃ স্যার হাসন রাজার মত আরো দুজন শিল্পী সুনামগঞ্জে অনেক জনপ্রিয়।  একজন হচ্ছেন শ্রদ্ধেয় রাধারমণ দত্ত এবং আরেকজন হচ্ছেন শ্রদ্ধেয় শাহ আব্দুল করিম। 

চেঃ বেশ সন্তুষ্ট হলেন। এখন বলোতো হাসন রাজার একজন নাতি যিনি কিনা সুনামগঞ্জের মেয়র ছিলেন, তিনি কে এবং কিভাবে মারা যান?

আমিঃ স্যার, হাসন রাজার নাতি শ্রদ্ধেয় কবি মমিনুল মইজুদ্দীন সুনামগঞ্জ  পৌরসভার মেয়র ছিলেন। তিনি ২০০৮ সালে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।

চেয়ারম্যান ঃ ঠিক আছে। তিনি সুনামগঞ্জের মেয়র থাকাকালে রাত বারোটার পর কিছু একটা করতেন। কি করতেন?

আমিঃ স্যার তিনি সুনামগঞ্জের মেয়র থাকাকালে কোন এক চাঁদের রাতে ১২ টার পর শহরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিতেন এবং নগরবাসিদের নিয়ে জ্যোছনা যাপন করতেন। ব্যাতিক্রমী এই উৎসবের নাম জ্যোছনা যাপন অনুষ্ঠান।  

চেয়ারম্যানঃ ভেরি গুড। ঠিক বলেছো। হাসন রাজা জ্যোছনা খুব পছন্দ করতেন তো, তাই তিনি এই উৎসব প্রচলন করেছেন। 

এই একটি প্রশ্নে স্যার খুব সন্তুষ্ট হয়েছেন। এর পর তিনি আর প্রশ্ন করেন নি। তিনি এরপর আমাকে ১ম এক্সটার্নাল স্যারের হাতে সোপর্দ করেন।

এক্সটার্নাল -১ঃ আপনি তো প্রথম চয়েস প্রশাসন দিয়েছেন।কেন দিয়েছেন? অনেকেই তো অনেক কথা বলে। তুমি সেক্ষেত্রে কি বলবে?

আমিঃ (প্রশ্ন করার আগেই স্যার যেহেতু একটা আভাস দিয়েছেন তাই যা প্রস্তুতি নিয়েছি তা না বলে সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু বলা শুরু করলাম)

স্যার, আমার জন্ম এবং বেড়ে উঠা হাওরের পাড়ে। সেই হাওর পাড় থেকে এই পিএসসি ভবন পর্যন্ত আসতে আসতে আমায় বহু problem face করতে হয়েছে। সেই সমস্যাগুলো সমাধান করতে হলে আমার এমন একটি সার্ভিসে আসা উচিৎ যেখান থেকে চাকুরিজীবনের প্রতিটি স্তরে স্তরে বিভিন্ন সেক্টরে অবদান রাখতে পারি। আর বিসিএস প্রশাসন যেহেতু এই সুযোগটা আমায় দিচ্ছে তাই সে সুযোগ আমি নিতে চাই।

এক্সটার্নাল-১ঃ  স্যার উত্তর নিলেন এবং বললেন তুমি বলেছো তুমি অনেক problem face করেছো

আমিঃ স্যার আমি problem না বলে এটাকে চ্যালেঞ্জ বলতে চাই।

এক্সটার্নাল -১ঃ আচ্ছা বলো, what is problem? 

আমিঃ problem is something that creates an obstacle to achieve any Goal 

  এক্সটার্নাল -১ঃ   What are the horizontal and vertical dimensions of problem? 

আমিঃ sir,  I think my knowledge is limited regarding those dimensions. 

এক্সটার্নাল -১ঃ   ওকে। তুমি তো মার্কেটিং নিয়ে পড়াশোনা করেছো। এটা প্রশাসনে কিভাবে কাজে লাগাবে?

আমিঃ৷ Sir. মার্কেটিং সবসময় জনগনকে নিয়ে কাজ করে। মার্কেটিং এর প্রতিটি কাজ জনগণ তথা ভোক্তাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। একইভাবে প্রশাসনের প্রতিটি কাজও জনগনকে কেন্দ্র করে করা হয়ে থাকে। এদিক থেকে এই দুটি বিষয়ের কোন পার্থক্য নেই। 

এছাড়া ব্যাবসায় প্রশাসনের ছাত্র হিসেবে আমি প্রশাসন সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা রাখি যা আমাকে প্রশাসনের কাজে সহায়তা করবে।

$ads={2}
এক্সটার্নাল -১ঃ প্রশাসনের তো অনেক কাজ। বাজেট প্রস্তুত করাও প্রশাসনের কাজ। বলোতো বাংলাদেশের বাজেট কি ধরনের? 

আমিঃ স্যার বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি বাজেট।

এক্সটার্নাল -১ঃ আমি আসলে জানতে চেয়েছিলাম বাজেট কত প্রকার?

আমিঃ স্যার বাজেট দুই প্রকার। রাজস্ব বাজেট এবং উন্নয়ন বাজেট। 

এক্সটার্নাল -১ঃ রাইট। রাজস্ব বাজেট কি? একটা উদাহরণ দিতে পারবে?

আমিঃ স্যার বাজেটের যে অংশ হতে সরকারি ব্যাবস্থাপনার ব্যায় নির্ধারিত হয় তাকে রাজস্ব বাজেট বলা হয়। যেমনঃ সরকারি রাজস্ব খাতের অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীদের বেতন ভাতা রাজস্ব বাজেট হতে নির্ধারিত হয়।

এক্সটার্নাল -১ঃ এ বাজেটের অর্থসংস্থান কিভাবে হয়?

আমিঃ স্যার এন বি আর কর্তৃক আহরিত রাজস্ব হতে এ বাজেটের অর্থসংস্থান হয়।

এক্সটার্নাল -১ আরেকটা কি?

আমি- আরেকটা বাজেট হলো উন্নয়ন বাজেট। স্যার সরকারি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যায় নির্বাহ করা হয় উন্নয়ন বাজেট হতে।

এক্সটার্নাল -১  উন্নয়ন বাজেটের অর্থসংস্থান কিভাবে হয়?

আমি- বিভিন্ন সংস্থার ঋণ-অনুদান এবং বিনিয়োগ থেকে উন্নয়ন বাজেটের অর্থসংস্থান হয়। 

এক্সটার্নাল -১ঃ বাজেটের খাত কয়টি?
আমিঃ আমার জানামতে বাজেটে আয়ের খাত ১৫ টি।

এক্সটার্নাল ১- কয়েকটি সেক্টরের নাম বলো।
আমিঃ স্যার বাজেট সম্পর্কে আমার আরো জানার আছে।

এক্সটার্নাল -১ ওকে। বাংলাদেশে এখন কোন পরিকল্পনা চলছে।
আমিঃ স্যার বাংলাদেশ এখন ভিশন ২০৪১ কে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

$ads={2}
এক্সটার্নাল -০১- আমি আসলে অন্য কিছু জানতে চেয়েছিলাম। 

আমিঃ স্যার, ২০২১-২০৪১ সালে আমরা বাংলাদেশ প্রেক্ষিতঃ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি।

এক্সটার্নাল -০১- এখন ঠিক আছে। ২০৪১ সাল শেষে আমরা কেমন দেশ হব?

আমিঃ স্যার, ২০৪১ সাল শেষে আমরা উন্নত দেশের মর্যাদা লাভ করব।

এক্সটার্নাল ১ঃ আমরা সম্প্রতি এল ডিসি থেকে উত্তরণ লাভ করতে যাচ্ছি। এটি কোন সংস্থার স্বীকৃতি? 

আমিঃ স্যার জাতিসংঘের UNSOC  আমাদের এই স্বীকৃতি দিচ্ছে।

এক্সটার্নাল - ১ জাতিসংঘের কয়টি ক্লাসিফিকেশন আছে?

আমিঃ স্যার জাতিসংঘের চারটি  ক্লাসিফিকেশন আছে। স্বল্পোন্নত, নিন্ম মধ্য আয়ের দেশ, উচ্চ মধ্য আয়ের দেশ এবং উচ্চ আয়ের দেশ।

এক্সটার্নাল -০১ আরেকটি সংস্থা এরকম ক্লাসিফিকেশন করেছে? সংস্থাটি কি এবং কয়টি ক্লাসিফিকেশন আছে এতে?

আমিঃ সংস্থাটির নাম বিশ্বব্যাংক এবং খুব সম্ভবত ৩ ভাগে ভাগ করেছে।

এক্সটার্নাল -তিন ভাগে?

আমিঃ স্যার এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই।

এক্সটার্নাল -অকে , থ্যাংক ইউ।

স্যার এবার সেকেন্ড এক্সটার্নালের কাছে আমায় তুলে দিলেন

এক্সটার্নাল -২. তুমি বলেছিলে তুমি হাওর এলাকা থেকে এসেছো। এবার বলোতো হাওর এলাকার প্রধান সমস্যাগুলো কি?

আমিঃ  স্যার, হাওর এলাকার সব থেকে বড় সমস্যা হচ্ছে যোগাযোগ সমস্যা। সুনামগঞ্জের বেশির ভাগ এলাকা পানিতে প্লাবিত থাকে। কয়েকটি উপজেলার যোগাযোগ মোটামুটি ভালো হলেও বেশিরভাগ এলাকা এখনো বিচ্ছিন্ন।  

এক্সটার্নাল -০২ এই বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার যে সমস্যা তার সমাধান কি?

আমিঃ স্যার এক্ষেত্রে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বড় উদ্যোগ সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান করতে পারে। তিনি হাওর অঞ্চলকে মূলধারার সড়কের সাথে যুক্ত করতে উড়াল সড়কে নির্মানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে হাওরবাসীর জীবনধারা বদলে যাবে।

এক্সটার্নাল -০২. আমরা উদ্যোগটি নিচ্ছি। কিন্তু এটি সময়সাপেক্ষ।  বর্তমানে এই যোগাযোগ সমস্যার সাময়িক সমাধান কি?

আমিঃ স্যার দ্রুতগামী কিছু জলযান যেমন স্পিডবোট বা স্পিডি ওয়াটার বাস দেওয়া যেতে পারে। কিংবা কিছু ভালো মানের নৌকা সাপ্লাই করা গেলে সেটি এই সমস্যার সাময়িক সমাধান দিতে পারে।

এক্সটার্নাল ০২ আর কি সমস্যা আছে হাওরে?

আমিঃ শিক্ষা হাওরের আরেকটি বড় সমস্যা। অনেকেই প্রাথমিক শিক্ষা নিলেও মাধ্যমিক শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। এর মূল কারণ হচ্ছে যোগাযোগ ব্যাবস্থা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপ্রতুলতা। 

$ads={2}
এক্সটার্নাল -০২ হাওর অঞ্চলের সব থেকে বড় opportunity কি?
আমি- হাওরের সবথেকে বড় সম্ভাবনাময় খাত হচ্ছে হাওরভিক্তিক টুরিজম।  অনেক টুরিস্ট হাওরে ঘুরতে যান। কিন্তু নিরাপত্তার অভাবে তারা সেখানে দ্বিতীয়বার যান না। যদি অল্প কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় তবে আমি একথা বলতে পারি যে আগামী দিনে বাংলাদেশের টুরিজমের কেন্দ্রবিন্দু হবে হাওর। 

এক্সটার্নাল - অকে। থ্যাংক ইউ।

এরপর চেয়ারম্যান স্যার সবার দিকে থাকালেন এবং বললেন ওকে তাইলে ছেড়ে দেই। 

সালাম দিয়ে কাগজপত্র নিয়ে বের হয়ে এলাম। 

পুরো ভাইভাতে তিনজন এক্সামিনার খুব মনযোগ দিয়ে শুনছিলেন। 

লেখক - সৌরভ দেবনাথ, এসিস্ট্যান্ট কমিশনার অফ ট্যাক্স (সুপারিশপ্রাপ্ত), ৪০ তম বিসিএস।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন